
অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
সাম্প্রতিক এক টক শোতে তিনি এই মন্তব্য করেন। পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বিলম্বিত করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তারা জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের মতো প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে বলে তিনি মনে করেন।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “যখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি উঠলো তখন জামায়াত কিছু বলেনি। কিন্তু জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের সময় জামায়াত স্পষ্ট কথা বলছে।” তিনি আরও বলেন যে, গণতন্ত্রের অর্থ এই নয় যে কয়েকটি দল মিলে অন্য দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে দেবে এবং ভোটের আসন ভাগাভাগি করে নেবে।[2] তার মতে, নির্বাচনের আগেই ফলাফল নির্ধারণের চেষ্টা এক ধরনের স্বৈরাচারী আচরণ। পাটোয়ারীর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী skutečne জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই দলগুলো ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, জামায়াত আগামী নির্বাচনে একটি প্রতিদ্বন্দ্বীহীন রাজনৈতিক মাঠ তৈরি করার কৌশল হিসেবে এই দাবি তুলেছে। শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরও উল্লেখ করেন যে, জাতীয় পার্টি ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতের নিষিদ্ধের দাবির বিপক্ষে ছিল। এমনকি ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের সময়েই জামায়াত প্রথম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি মনে করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াত ও এনসিপি দ্বারা প্রভাবিত এবং তাদের উচিত আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা।