1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

করুণা নয় ঘামের ন্যায্য মূল্য চাই’বেতন বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরা মহাসড়ক অবরোধ

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮৬ বার পঠিত

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরার রাজলক্ষ্মী ও আজমপুর এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নেন। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং দুর্ভোগে পড়েন কর্মজীবী মানুষ, গণপরিবহনের যাত্রী ও পথচারীরা।

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কের একাংশে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আশপাশের সড়কেও যানজট ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের বক্তব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাড়িভাড়া ও সংসারের অন্যান্য খরচ সামাল দিতে বর্তমান বেতনে তাঁদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এক শ্রমিকের বক্তব্যে উঠে এসেছে তাঁদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, “গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শ্রমিকেরা করুণা চান না, চান তাঁদের ঘামের ন্যায্য মূল্য। তাঁরা ভিক্ষা চান না, চান সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার।”

ওই শ্রমিক আরও বলেন, শ্রমিকেরা মাথা নত করে নয়, নিজেদের পরিশ্রমের বিনিময়ে ন্যায্য মজুরি নিয়ে বাঁচতে চান। যে হাত দিয়ে তাঁরা দেশের অর্থনীতি গড়ে তোলেন, সেই হাতের শ্রমকে অবহেলা করা বন্ধ করতে হবে।

তাঁর ভাষ্য, একটি দেশের অর্থনীতি শুধু বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের সম্পদ দিয়ে গড়ে ওঠে না; এর পেছনে রয়েছে অসংখ্য শ্রমিকের ঘাম, পরিশ্রম ও ত্যাগ। নিজেদের কষ্ট আড়াল করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা।

শ্রমিকদের প্রশ্ন, তাঁদের শ্রম যদি দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হয়, তাহলে ন্যায্য মজুরির দাবি কেন উপেক্ষিত থাকবে?

ওই শ্রমিক বলেন, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে তাঁর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। শ্রমিকদের প্রতি অন্যায়, অবহেলা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পোশাকশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই এই শিল্পের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, অধিকার ও সম্মানজনক জীবনযাপনের বিষয়টি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

এদিকে, ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে বেলা দেড়টার দিকে শ্রমিকেরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল আবার শুরু হয়। তবে অবরোধের কারণে সৃষ্ট যানজট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগে।

শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা হোক। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর