1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মানবাধিকার সংগঠনের উদ্বেগ

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৯ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
ঢাকা, ৮ নভেম্বর [২০২৫]: শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বহু সমালোচনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের আমলে গত ১৪ মাসে বাংলাদেশে অন্তত ৪০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রেকর্ড করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত কতটা হচ্ছে, তা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। অধিকারের অভিযোগ ও পরিসংখ্যান: মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ নিয়মিতভাবে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং তাদের প্রতিবেদনে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক দমন-পীড়নসহ বিভিন্ন ঘটনার চিত্র তুলে ধরে। তাদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী: বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড: গত ১৪ মাসে বাংলাদেশে অন্তত ৪০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বচ্ছতা: মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রায়শই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয় না, যার ফলে দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা সম্ভব হয় না। এটি বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করে। গুমের অভিযোগ: বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি গুমের অভিযোগও এই সরকারের আমলে একটি বড় উদ্বেগের কারণ। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মী বা ভিন্নমতাবলম্বীদের গুম করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। মানবাধিকারকর্মীদের উদ্বেগ: মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গুম একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। তাদের প্রধান উদ্বেগগুলো হলো: আইনের শাসনের লঙ্ঘন: এই ধরনের ঘটনা আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মৌলিক অধিকারের প্রতি রাষ্ট্রের অঙ্গীকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। জবাবদিহিতার অভাব: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার জন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় না, যা অপরাধ প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে। আন্তর্জাতিক চাপ: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং দেশগুলো নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছে। সরকারের অবস্থান (সাধারণত): সরকার সাধারণত এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে অথবা দাবি করে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আত্মরক্ষার্থে বা অপরাধীদের দমনে বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাজ করে। গুমের অভিযোগের ক্ষেত্রেও সরকার অনেক সময় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব অভিযোগের একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করে আসছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এই প্রতিবেদনগুলো দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এবং সরকারের উপর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর