1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

একটি ফোনকল, হাজারো প্রাণের দায়: ফাঁস হওয়া অডিওতে জুলাই গণহত্যার ব্লুপ্রিন্ট।

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে তার একটি ফোনালাপ ফাঁসের পর এই অভিযোগ সামনে আসে। ফাঁস হওয়া সেই অডিওতে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, “আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে। ওপেন নির্দেশনা দিয়েছি। এখন মা’র’ণা’স্ত্র ব্যবহার করবে। যেখানে পাবে সেখানে গু’লি করবে।” এই ফোনালাপটি ২০২৪ সালের ১৮ই জুলাই রেকর্ড করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। সে সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী তীব্র উত্তেজনা চলছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। ফোনালাপের সত্যতা যাচাই ও তদন্ত: ফাঁস হওয়া এই অডিও ক্লিপটির সত্যতা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং আল জাজিরা যাচাই করেছে। বিবিসি তাদের অনুসন্ধানে নিশ্চিত করেছে যে, অডিওটি আসল এবং এতে কোনো ধরনের বিকৃতি বা সম্পাদনা করা হয়নি।
পরবর্তীতে, বাংলাদেশের পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবও অডিওটি বিশ্লেষণ করে। সিআইডির একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়ে জানান যে, অডিও রেকর্ডিংয়ে থাকা নারী কণ্ঠটি শেখ হাসিনার এবং পুরুষ কণ্ঠটি শেখ ফজলে নূর তাপসের। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার: এই ফাঁস হওয়া ফোনালাপটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জাতিসংঘের তদন্ত অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের ওই আন্দোলনে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার আহত হয়েছিলেন। প্রসিকিউটররা মনে করছেন, এই অডিও টি আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনার সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং তার দেওয়া নির্দেশের প্রমাণ। আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া: তবে শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন যে, এই ফাঁস হওয়া অডিওটি বেআইনি উদ্দেশ্য বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগের প্রমাণ দেয় না। ফাঁস হওয়া এই ফোনালাপটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা দমন-পীড়নের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। বর্তমানে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর