1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

হত্যা নাকি দুর্ঘটনা? শিশু রানার মৃত্যুরহস্য উদঘাটনে কবর থেকে লাশ উত্তোলন

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠায় আদালতের নির্দেশে দাফনের আড়াই মাস পর কবর থেকে শিশু রানার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ঘটনার প্রেক্ষাপট: কান্দুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাজিব মিয়া ও নাদিরা খাতুনের একমাত্র সন্তান ছিল রানা (৭)। তার বাবা-মা ঢাকায় কাজ করায় সে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। গত ৩০ জুন গ্রামের একটি ফিশারির পানিতে ডুবে রানার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল। সে সময় কোনো সন্দেহ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটির মরদেহ দাফন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ: কিন্তু ঘটনার কিছুদিন পর এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয় যে, রানার মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা ছিল না, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় মো. শহিদ মিয়া (৪৮) নামে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। রানার বাবা রাজিব মিয়া ২৩ জুলাই নেত্রকোনা আদালতে শহিদ মিয়াকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন শহিদ মিয়া রানাকে দোকান থেকে সিগারেট আনতে বলেন। শিশুটি কানে কিছুটা কম শুনত, তাই সে সিগারেটের পরিবর্তে গরুর খাবারের ভুসি নিয়ে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদ মিয়া রানার গালে সজোরে থাপ্পড় মারেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই আঘাতেই রানা অচেতন হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে তাকে ফিশারির পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি ও লাশ উত্তোলন: শাকিব (১১) নামে এক শিশু এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয় যে, শহিদ মিয়া তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা সম্পর্কে চুপ থাকতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে শাকিব ঘটনার বিবরণ দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত রানার মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা রুজির উপস্থিতিতে কান্দুলিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে রানার দেহাবশেষ উত্তোলন করা হয়। পুলিশের বক্তব্য: পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর