
নিজস্ব প্রতিবেদক,
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ বরাদ্দ দিতে কোনো আইনি বাধা নেই বলে মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের ১০১ জন আইনজীবী। তারা জানান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বিদ্যমান আইনের আলোকে ‘শাপলা’ প্রতীক ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আইনজীবীদের মতে, ‘শাপলা ফুল’ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলেও এটি এককভাবে কোনো সংবিধানিক বা নির্দিষ্ট দপ্তরের মালিকানাধীন নয়। এটি জাতীয় প্রতীকে ব্যবহৃত অন্যান্য উপাদানের (ধানের শীষ, তারা, পাটপাতা) মতোই একটি উপাদান। ফলে পৃথকভাবে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহারে কোনো আইনগত বাধা দেখা যায় না। এ প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা বিশ্লেষণ করেছি। সেখানে কোথাও ‘শাপলা’ প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নেই। এমনকি জাতীয় ফল কাঁঠালও ইতোমধ্যে একটি দলের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই শাপলাও রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার হওয়া উচিত। তিনি আরও জানান, এনসিপি ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে এবং প্রস্তাবিত প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ চেয়েছে। দলটির দাবি, প্রতীকটি সহজে বোঝা যায় এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের আগে এটি ইসির তালিকাভুক্ত প্রতীকের মধ্যে থাকতে হবে। নতুন প্রতীক যুক্ত হলে তবেই দলটি সেটি পেতে পারে। এনসিপির পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন ‘শাপলা’ প্রতীকের আইনি অবস্থান বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। দলের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আইনজীবীদের যৌথ মতামত নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হয়েছে।