
নিজস্ব সংবাদদাতা,
ককটেল হামলার পর সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানীর পল্টনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আজ বিকেল ৩টা থেকে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। কার্যালয় সংলগ্ন সড়কে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে এবং জনসাধারণের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্কভাবে চলাচলের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, “সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, সে জন্য সেনাবাহিনীকে সহায়তার অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো উসকানিমূলক তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এদিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “এই হামলা শুধু একজন নেতাকে নয়, গোটা রাজনৈতিক দলের অস্তিত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। আমরা নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি এবং এই হামলার পেছনে যেসব চক্র জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার পর এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা না হলেও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। বর্তমান পরিস্থিতি, কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের যৌথ টহল, সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত, বিশেষ পরিচয়পত্র ছাড়া গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা,আশপাশের দোকানপাট ও অফিস আদালত আংশিক বন্ধ,স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজমান।