
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি,
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির নেতা কামাল উদ্দিন। সোমবার (২৩ জুন ২০২৫) দুপুরে তিনি দলের উপজেলা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর কামাল উদ্দিন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে দলকে সংগঠিত করার কাজে যুক্ত আছি। যদি নেতাকর্মীরা আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে ভবিষ্যতেও দলকে আরও সুসংগঠিত করতে কাজ করব। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপি। এই পদে আরও কয়েকজন মনোনয়ন জমা দিতে পারেন বলে জানা গেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার কুষ্টিয়া সদরের বিএনপি কমিটি গঠনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল সামনে রেখে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির দীর্ঘদিনের রাজনীতিক কামাল উদ্দিন। সোমবার (২৩ জুন ২০২৫) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, সাবেক ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কামাল উদ্দিন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করেছি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আশা করি তারা আমাকে মূল্যায়ন করবেন। কামাল উদ্দিন কুষ্টিয়া সদর বিএনপির একজন পরিচিত মুখ। তিনি একসময় সদর থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে যুবদলের সদর উপজেলা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন তিনি। এই পদে আরও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও শামসুল আলম টুকু। জাহাঙ্গীর হোসেন বর্তমানে সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শামসুল আলম টুকু সাবেক পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ জুন ২০২৫ তারিখে সদর উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদকসহ নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে তৃণমূল প্রতিনিধি ভোট প্রদান করবেন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ২৫ জুন প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাচনী মাঠে প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যেই জমে উঠেছে। প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে গণসংযোগ ও কর্মীসভা চালিয়ে যাচ্ছেন।