
বিশেষ প্রতিবেদক:
মাদক, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহের মতো কঠিন সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে মাঠপর্যায়ে সবচেয়ে শক্তিশালী দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’। তবে যে শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটররা দিনরাত পরিশ্রম করে গ্রামীণ সমাজে পরিবর্তন আনছেন, তারা নিজেরাই রয়ে গেছেন চরম অবহেলা ও অনটনের শিকার। সংস্কৃতি চর্চা, সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ এবং জীবনদক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই এই ক্লাবের মূল লক্ষ্য। মাঠপর্যায়ে বহু বাল্যবিবাহ বন্ধ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে তাদের অসামান্য ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত। তবে সমাজকে আলো দেখানো এই কর্মীদের অভিযোগ—নামমাত্র সম্মানী দেওয়া হলেও তা নিয়মিত মেলে না। চাকরির কোনো স্থায়িত্ব বা নিশ্চয়তা নেই, এমনকি অনেক জায়গায় ক্লাব পরিচালনার জন্য ন্যূনতম অবকাঠামোও অনুপস্থিত। সচেতন মহলের মতে, একটি অপরাধমুক্ত ও সচেতন প্রজন্ম গড়তে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের বিকল্প নেই। তাই এই মহৎ কার্যক্রমকে টিকিয়ে রাখতে শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটরদের অবহেলা দূর করে তাদের উপযুক্ত সম্মান ও ন্যায্য সুবিধা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।