1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

মাঠ থেকে সেনা প্রত্যাহার: পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানই মূল লক্ষ্য

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৯ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজ.
ঢাকা: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে মাঠ থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গৃহীত হয়। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কেবল আসন্ন নির্বাচনই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী কিছু কৌশলগত উদ্দেশ্যও কাজ করছে।

সূত্র মতে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো, তাদের অনুপস্থিতিতে মাঠের পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা কেমন থাকে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। সরকার দেখতে চায়, বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো, যেমন পুলিশ ও র‍্যাব, সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়া পরিস্থিতি কতটা কার্যকরভাবে সামাল দিতে পারে। এটি দেশের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতা মূল্যায়নের একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ওই সূত্র আরও জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীকে মাঠ পর্যায়ে মোতায়েন রাখার কারণে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও সামাজিক জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে কাজের বিভাজন, জনমনে সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির প্রভাব এবং অন্যান্য কার্যক্রমে যে সূক্ষ্ম সমস্যাগুলো দেখা দিচ্ছিল, সরকার এখন সেগুলোর সমাধান করতে আগ্রহী। এই প্রত্যাহারকে সেই জটিলতাগুলো নিরসনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে কোনো সংশয় তৈরি করেনি। সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। এর অর্থ হলো, সরকার আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কমালেও, একটি বৃহৎ জাতীয় ইভেন্টের সময় তাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবগত আছে এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো যখন দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। মাঠ থেকে সেনাবাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার এই পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা কৌশল এবং বেসামরিক প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর