
অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
ঢাকা, ৭ নভেম্বর [২০২৫]: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে জড়িয়ে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ আর্মির ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই অপপ্রচারের কথা জানানো হয় এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়। পোস্টের সঙ্গে সেনাপ্রধানকে নিয়ে নির্বাচন ঘিরে ছড়িয়ে পড়া ছয়টি ভুয়া প্রচারণার স্ক্রিনশটও সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করতে চেয়েছে। সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: বাংলাদেশ আর্মির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টে স্পষ্টভাবে লেখা হয়েছে:”ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানকে জড়িয়ে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জনসাধারণকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকতে বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।” অপপ্রচারের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য (অনুমান): এই ধরনের অপপ্রচার সাধারণত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা নির্বাচনকালীন সময়ে বেশি দেখা যায়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হতে পারে: বিভ্রান্তি ছড়ানো: জনগণের মধ্যে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে সেনাপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। আস্থা নষ্ট করা: দেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আস্থাশীল প্রতিষ্ঠানের (সেনাবাহিনী) প্রতি জনগণের বিশ্বাস নষ্ট করা। রাজনৈতিক ফায়দা: বিশেষ কোনো রাজনৈতিক পক্ষ এই ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চাইতে পারে। ভয় ও উদ্বেগ সৃষ্টি: সমাজের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করা। সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তার গুরুত্ব: সেনাবাহিনীর এই সতর্কবার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি পরিষ্কারভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, দেশের স্পর্শকাতর মুহূর্তে সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে যে কোনো ধরনের মিথ্যা তথ্য প্রচারকে সেনাবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সেনাবাহিনী জনসাধারণকে সতর্ক করার পাশাপাশি এমন অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও একটি পরোক্ষ বার্তা দিয়েছে। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধে সকলের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সেনাবাহিনীও এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।