
অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামীকাল ১৯ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করতে যাচ্ছে দলের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড়’ জাতীয় সমাবেশ। সমাবেশকে কেন্দ্র করে মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। দলটি জানিয়েছে, এ সমাবেশ হবে “ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট”। মঞ্চ ও মাঠ প্রস্তুতি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কেন্দ্রস্থলে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। মঞ্চের সামনে প্রায় ১,২০০ চেয়ার বসানো হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে ৩৩টি জায়ান্ট এলইডি স্ক্রিন, ৪০০’র বেশি মাইক এবং আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম। পুরো মাঠে বালু ও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা,সমাবেশে আগত বিপুল পরিমাণ জনগণের কথা মাথায় রেখে স্থাপন করা হয়েছে ৫০০+ অস্থায়ী টয়লেট এবং ১,০০০টির বেশি পানির কল। দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় ৬,০০০ স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তা, দিকনির্দেশনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবেন। ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও মনিটরিং সেল কাজ করবে।
যাতায়াত ও সমন্বয়,ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি পার্কিং ও সমাবেশস্থলে প্রবেশের জন্য নির্ধারিত গেট প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকায় প্রবেশকারী দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চযাত্রীদের জন্য দলীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা ড্রপিং পয়েন্ট নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মূল বার্তা ও প্রত্যাশা জামায়াত নেতারা জানান, এই সমাবেশের মাধ্যমে তাঁরা “ঐক্যের ডাক” দেবেন এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিসহ সাত দফা দাবি উপস্থাপন করবেন।
দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “এই সমাবেশ হবে ইতিহাসের সাক্ষী—বাংলাদেশের মানুষ নতুন রাজনৈতিক পথের সন্ধান পাবে। উপস্থিতির লক্ষ্যমাত্রা,সমাবেশে ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে অন্তত ১০ লাখ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আরও ২–৩ লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সারসংক্ষেপে**, রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি হতে চলেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। সমাবেশে জামায়াতের রাজনৈতিক বার্তা কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।