1. admin@sokalarsomachar.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনে অচল গাজীপুর! ২৭ নম্বর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ চরমে শ্রমিক বিক্ষোভে অচল গাজীপুর-আশুলিয়া, মহাসড়ক অবরোধে দুর্ভোগ পাবনায় বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, আহত আরও ৩ দৌলতপুরে জমি ও বাঁশ কাটার বিরোধে যুবকের কব্জি বিচ্ছিন্ন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হোক পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ: ডিজি পাবনায় প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি নেতাসহ দুজনকে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি উল্লাপাড়ায় যানজট নিরসনে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান ভাঙা হলো ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা মিরপুর-১-এ ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি, গ্রিল কেটে টাকা লুট সিসিটিভিতে নেই ফুটেজ

গুম’ তদন্তের ক্ষমতা পেল মানবাধিকার কমিশন

সকালের সমাচার ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫০ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
ঢাকা: সরকার ‘গুম’ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্ত করার ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে প্রদান করেছে। এই সিদ্ধান্তকে মানবাধিকার কর্মী ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বুধবার (৫ নভেম্বর ২০২৫) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ‘গুম’ বা বলপূর্বক অন্তর্ধানের অভিযোগগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি ছিল জোরদার। এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এমন ক্ষমতা প্রদান একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য: জবাবদিহিতা বৃদ্ধি: এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের অন্যান্য সংস্থার জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। অভিযোগগুলোর একটি স্বাধীন তদন্তের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে চাপ সৃষ্টি হবে। স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা: গুমের অভিযোগগুলোর তদন্ত প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য হবে, যা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ক্ষতিগ্রস্তদের আস্থা: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তারা তাদের অভিযোগগুলো একটি নিরপেক্ষ ফোরামে উত্থাপনের সুযোগ পাবে। আন্তর্জাতিক চাপ প্রশমন: আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, এই পদক্ষেপ তা প্রশমনে সাহায্য করবে। এটি দেশের মানবাধিকার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান (যদি নাম জানা থাকে) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “এটি আমাদের জন্য একটি বড় দায়িত্ব এবং চ্যালেঞ্জ। আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই অভিযোগগুলো তদন্ত করব এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, কমিশন এই দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বাড়াতে এবং জনবল প্রশিক্ষণে কাজ করবে। তবে এই ক্ষমতা প্রদানের পাশাপাশি কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত জনবল, বাজেট এবং আইনগত সমর্থন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, শুধু ক্ষমতা দিলেই হবে না, কমিশনকে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।এই পদক্ষেপ বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর