
অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
ঢাকা, ৭ নভেম্বর [২০২৫]: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের পর আবারও দেশে গণতন্ত্র ধ্বংসের চক্রান্ত চলছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে যান। সেখানে তারা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফখরুলের অভিযোগ ও সতর্কবার্তা: বিএনপি মহাসচিব তার বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মূল অভিযোগ হলো: গণতন্ত্র ধ্বংসের চক্রান্ত: তিনি দাবি করেন যে, দেশের জনগণ যখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছে বা ঘটাতে যাচ্ছে, তখন একটি মহল আবারও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যদিও তিনি সুনির্দিষ্ট করে কোনো চক্রান্তকারী বা মহলের নাম উল্লেখ করেননি, তবে তার ইঙ্গিত স্পষ্ট ছিল যে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারা ঝুঁকির মুখে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য: মির্জা ফখরুল সম্ভবত ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালের ঘটনাবলী এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছেন, যখন দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে বিএনপি দাবি করে। তার বক্তব্যে সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে এনে বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা করা হয়েছে। বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদন: ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপি প্রতি বছরই এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে। এই বছরও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শ্রদ্ধা জানান। এটি দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং তার আদর্শের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। ফখরুলের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন দেশ আসন্ন নির্বাচন বা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে রয়েছে।