
প্রকাশের তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় আসছে বড় পরিবর্তন। বর্তমান সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের প্রস্তাবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সাবেক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে নির্মাণ করা হবে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স। সরকারি প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নেওয়া এই পরিকল্পনায় থাকছে আধুনিক অবকাঠামো ও বিস্তৃত সুযোগ-সুবিধা।
১৪টি ভবন, থাকবে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ির পার্কিং
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হবে ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি ভবন। এসব ভবনে মোট প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া থাকবে তিনটি বেজমেন্ট স্তর এবং প্রায় ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি রাখার পার্কিং সুবিধা।
কমপ্লেক্সের নকশায় পরিবেশের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পরিকল্পিত এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গা সবুজ এলাকা ও জলাধারের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা রয়েছে।
নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা
নতুন সচিবালয় নির্মাণ প্রকল্পটি সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে সরকারি দপ্তরগুলো স্থানান্তর করা সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর।
সরকারি সেবায় কতটা পরিবর্তন আসবে?
নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স চালু হলে প্রশাসনিক দপ্তরগুলোর কর্মপরিবেশ, দাপ্তরিক সমন্বয় এবং নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটিই এখন আলোচনার বিষয়। পরিকল্পিত অবকাঠামো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়সীমা, নির্মাণের মান, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আপনার মতামত কী? শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে সরকারি কাজের গতি বাড়বে বলে আপনি মনে করেন? নাকি প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নের সময়সীমার ওপর আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন? মন্তব্যে আপনার মতামত জানান।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস) ও প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন।