অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
জুলাই গণআন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে জমায়েত হওয়ার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীদের বাধা দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু ব্যারিকেড, জলকামান ও সতর্কতা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা দুপুরে পুলিশকে ঠেলে শাহবাগ মোড়ে প্রবেশ করেন। এ সময় রাজপথে উত্তেজনা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। স্লোগান দিতে দিতে রাজপথে আগানো আন্দোলনকারীরা বলেন, “এই রাষ্ট্র আমাদের কথা শোনে না, আমরা কথা শোনাতে এসেছি।” তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে — বিচারহীনতা বন্ধ, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, এবং নতুন সংবিধানের বাস্তবায়ন।সরকার শুরু থেকেই এই আন্দোলনকে ‘উসকানিমূলক’ ও ‘রাষ্ট্রবিরোধী অপচেষ্টা’ বলে আখ্যা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, “কোনো দল বা গোষ্ঠী জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে, আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির ওপর দমনমূলক পদক্ষেপ সরকারের জনবিচ্ছিন্নতারই প্রমাণ। নাগরিক সমাজের একাংশ মনে করছে, সরকারের দমননীতি বরং পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করছে। বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী সালেহা রহমান বলেন, “নতুন প্রজন্মের এই রাজনৈতিক চেতনা রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা। এর জবাব ব্যাটন দিয়ে নয়, সংলাপ ও সংস্কার দিয়েই দিতে হবে।সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শাহবাগে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আন্দোলনকারীরা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ বা আলোচনার আহ্বান জানানো হয়নি।