অনলাইন ডেস্ক নিউজ,
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে এক লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, যা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য এখনই সারাদেশে ৩০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছে। তবে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের পরবর্তী সময় পর্যন্ত এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। উপদেষ্টা বলেন, "নির্বাচনের সময় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত। জনগণের নিরাপত্তা এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে মোট এক লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মাঠে কাজ করবে। তারা মূলত 'স্ট্রাইকিং ফোর্স' হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো স্থানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।"এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকায় এবং বিমানবাহিনী সার্বিক আকাশপথে নজরদারি ও প্রয়োজনে জনবল ও সরঞ্জাম পরিবহনের দায়িত্বে থাকবে। 'এইড টু সিভিল পাওয়ার' বা 'বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা' নীতির অধীনে সশস্ত্র বাহিনী এই দায়িত্ব পালন করবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা, ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা এবং সকল প্রার্থী যেন নির্বিঘ্নে প্রচার চালাতে পারে, তা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।